মার্কেট বিন্যাস
গ্রুপ পর্ব, নকআউট আর ফাইনাল আলাদা ট্যাবে ভাগ করা থাকে, অন্য অনেক জায়গায় সব ম্যাচ এক লম্বা তালিকায় মিশে থাকে।
ম্যাচ শুরুর আগে থেকে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপের মার্কেট আমাদের স্পোর্টসবুকে সাজানো আছে। ঢাকার খেলোয়াড়রা মোবাইলে প্রবেশ করেই লাইন-আপ দেখতে পারেন, আর bKash, Nagad, Rocket দিয়ে অ্যাকাউন্ট ওয়ালেটে টাকা রাখা যায় সহজেই।
গ্রুপ পর্ব, নকআউট আর ফাইনাল আলাদা ট্যাবে ভাগ করা থাকে, অন্য অনেক জায়গায় সব ম্যাচ এক লম্বা তালিকায় মিশে থাকে।
bKash, Nagad, Rocket সরাসরি অ্যাকাউন্ট ওয়ালেটে যুক্ত, আলাদা তৃতীয় পক্ষের গেটওয়ে ঘুরে যেতে হয় না।
ম্যাচ চলাকালীন স্কোর বদলালে সংখ্যা তাৎক্ষণিক আপডেট হয়, পাতা রিফ্রেশ করার দরকার পড়ে না।
ওয়ার্ল্ড কাপের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রিয় ক্রিকেট মার্কেটও একই লবিতে পাওয়া যায়, ট্যাব বদলে ঘুরে দেখা যায়।
পোর্ট্রেট মোডে টিকিট স্লিপ স্থির থাকে, অনেক প্ল্যাটফর্মে স্লিপ খুঁজতে বারবার স্ক্রল করতে হয়।
গোল বাতিল বা ম্যাচ স্থগিতের নিয়ম আগে থেকেই লেখা থাকে, ফলে ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি কম হয়।
লাইভ চ্যাটে বাংলায় লিখেই ম্যাচ বা মার্কেট নিয়ে প্রশ্ন করা যায়, উত্তরের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয় না।
ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপের সময় আমরা গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিটি রাউন্ডের মার্কেট আলাদা করে সাজাই, যাতে খুঁজে পেতে সময় নষ্ট না হয়। ম্যাচ জয়-পরাজয়ের সাধারণ মার্কেট ছাড়াও হাফ-টাইম/ফুল-টাইম, গোল সংখ্যা আর করনার মতো বিকল্প থাকে, যা টিকিট বানানোর সময় কাজে লাগে। আমাদের স্পোর্টসবুক পার্টনারদের দেওয়া ওডস লাইভ আপডেট হয়, ম্যাচ চলাকালীন স্কোর বদলালে সেই অনুযায়ী মার্কেট রিফ্রেশ হয়ে যায়। যারা ক্রিকেট
মার্কেট নিয়মিত দেখেন, তাদের জন্যও একই লবিতে বাংলাদেশের প্রিয় ক্রিকেট বেটিং ক্যাটাগরি রাখা আছে, তাই ফুটবল আর ক্রিকেট একসাথে ঘুরে দেখা যায়। জমা করার পর অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স দেখা মাত্র টিকিট তৈরির কাজ শুরু করা যায়, আলাদা করে কিছু ডাউনলোড করার দরকার হয় না।
স্পোর্টসবুক পার্টনারদের মাধ্যমে আসা ওডস ফিড অনুযায়ী মার্কেট আপডেট হয়, ম্যাচের স্কোর বা পরিস্থিতি বদলালে সংখ্যা সেই অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
প্রতিটি মার্কেটের শর্ত ও সময়সীমা স্পষ্টভাবে দেখানো থাকে, তাই টিকিট বানানোর আগে কোন মার্কেট কী নিয়ম মেনে চলে তা যাচাই করা যায়।
টাকা তোলার সময় অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই করা হয়, যাতে সঠিক ব্যক্তির ওয়ালেটেই টাকা ফেরত যায়।
bKash, Nagad, Rocket দিয়ে করা প্রতিটি জমা ও উত্তোলনের রেকর্ড অ্যাকাউন্ট হিস্টোরিতে জমা থাকে, প্রয়োজনে যেকোনো সময় দেখা যায়।
গোল বাতিল, ম্যাচ পরিত্যক্ত বা অতিরিক্ত সময়ের মতো পরিস্থিতিতে মার্কেট কীভাবে নিষ্পত্তি হবে তা আগে থেকেই মার্কেট পাতায় লেখা থাকে।
মার্কেট নিয়ে কোনো দ্বিধা থাকলে সাপোর্ট টিমের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সবসময় খোলা থাকে।
এই মার্কেটে হাফ-টাইম আর ফুল-টাইম শেষে কোন দল এগিয়ে থাকবে তার ওপর টিকিট বানানো হয়, দুটি ফলাফল মিলিয়ে একসাথে ধরা যায়।
ম্যাচে মোট গোল সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি না কম হবে তা নিয়ে এই মার্কেট তৈরি, স্কোরলাইন নয়, শুধু সংখ্যা গণনা হয়।
ম্যাচ চলাকালীন স্কোর বা পরিস্থিতি অনুযায়ী মুহূর্তে মুহূর্তে বদলে যাওয়া সংখ্যাকে লাইভ ওডস বলে, ম্যাচের গতির সাথে এটি আপডেট হয়।
যে পর্বে হেরে গেলে দল টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে যায়, সেই পর্বকে নকআউট রাউন্ড বলা হয়, ফাইনালের আগ পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচ এখানে সরাসরি বিদায়ের ম্যাচ।
কোনো কারণে খেলা বা পরিস্থিতি অনিশ্চিত হলে সাময়িকভাবে মার্কেট বন্ধ রাখা হয়, পরিস্থিতি স্পষ্ট হলে আবার চালু হয়।
একটি টিকিট স্লিপে একাধিক ম্যাচ বা মার্কেট যোগ করে একসাথে জমা দেওয়াকে বোঝায়, সবগুলো ফলাফল মিললে তবেই টিকিট সফল হয়।
দুই দলের মধ্যে গোলের ব্যবধান কত হবে তার ওপর তৈরি মার্কেট, শুধু জয়-পরাজয় নয়, ব্যবধানও এখানে হিসেবে আসে।
টাকা তোলার আগে অ্যাকাউন্টের তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে সঠিক ওয়ালেট মালিকের কাছেই টাকা পৌঁছায়, এটি একটি নিরাপত্তামূলক ধাপ।
বেছে নেওয়া মার্কেট বা ম্যাচগুলো একটি জায়গায় জমা হয়ে যে তালিকা তৈরি হয় তাকে টিকিট স্লিপ বলে, জমা দেওয়ার আগে এখান থেকেই চূড়ান্ত করা হয়।